বিস্তারিত কেস স্টাডি: রফিকুলের IPL যাত্রা
রাজশাহীর একটি ছোট ব্যবসার মালিক রফিকুল প্রথমবার rk66-এ অ্যাকাউন্ট খোলেন ২০২৬ সালের মার্চে। ক্রিকেটের প্রতি তাঁর আগ্রহ ছিল সেই ছোটবেলা থেকেই, কিন্তু অনলাইন বেটিং তাঁর কাছে একদম নতুন ছিল। প্রথম সপ্তাহে তিনি শুধু ছোট ছোট বাজি দিয়ে প্ল্যাটফর্মটা বোঝার চেষ্টা করেন।
রফিকুল বলেন, "শুরুতে আমি খুব এলোমেলোভাবে বাজি দিতাম – মনে হলেই যে কোনো দলে বাজি রাখতাম। প্রথম দুই সপ্তাহে লস হলো। তখন বুঝলাম, শুধু আগ্রহ থাকলেই হবে না, একটা পদ্ধতি দরকার।"
"rk66-এর পরিসংখ্যান পেজটা আমার কাজে লেগেছে সবচেয়ে বেশি। প্রতিটি দলের শেষ পাঁচ ম্যাচের তথ্য এক জায়গায় পেয়ে যাই, এটা অনেক সময় বাঁচায়।"
— রফিকুল, রাজশাহীতৃতীয় সপ্তাহ থেকে তিনি একটি নোটবুক রাখতে শুরু করেন যেখানে প্রতিটি বাজির কারণ লিখে রাখতেন। কেন বাজি দিলেন, কোন তথ্যের উপর ভিত্তি করে, এবং ফলাফল কী হলো। এই অভ্যাসটা তাঁকে নিজের দুর্বলতা খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে।
রফিকুলের তিন মাসের ফলাফল
প্রথম মাস – শেখার পর্যায়
মোট ৩২টি বাজি, যার মধ্যে ১৩টি সফল। শুরুতে লসে থাকলেও মাসের শেষে ব্রেকইভেনের কাছাকাছি এসে পৌঁছান। এই সময়ে তিনি rk66-এর বিভিন্ন মার্কেট পরীক্ষা করে দেখেন এবং ম্যাচ উইনার ও ওভার/আন্ডার – এই দুটোতেই তিনি সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
দ্বিতীয় মাস – কৌশল তৈরি
তিনি সিদ্ধান্ত নেন শুধু IPL-এর ম্যাচে মনোযোগ দেবেন। অন্য স্পোর্টসে বাজি দেওয়া বন্ধ করেন। এই ফোকাস আসার পর রিটার্নে স্পষ্ট পরিবর্তন আসে। মোট ২৮টি বাজির মধ্যে ১৮টি সফল হয়।
তৃতীয় মাস – ফলাফল
তৃতীয় মাসে এসে রফিকুল মোট রিটার্নের হিসাব করেন। তিন মাসে তাঁর মোট বিনিয়োগের উপর ৪৮% পজিটিভ রিটার্ন এসেছে। রক্ষণশীল ব্যাংকরোল ম্যানেজমেন্ট মেনে চলায় কোনো বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হয়নি।